এই ক্যাম্পে তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষের জন্য শতাধিকেরও বেশি রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্যপরামর্শ প্রদান করেন। দূর-দূরান্ত থেকে আসা রোগীদের দীর্ঘ লাইন মানসিকভাবে তাকে আরেকবার মানুষের ডাক্তার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
রোগীরা জানান - “এত যোগ্য ডাক্তারকে আমাদের গ্রামে পেয়ে আমরা ধন্য। তিনি শুধু রোগী দেখেননি, মন দিয়ে কথা শুনেছেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন। এমন ডাক্তার পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।”
অনেক বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, অসহায় নারী ও শিশু চিকিৎসা শেষে ডা. ফরিদ এইচ খানের জন্য অন্তরের গভীর থেকে দোয়া করেছেন। কেউ কেউ আবেগে চোখ ভেজাতে ভেজাতে বলেন
“ডাক্তার সাহেব আমাদের মায়ের মতো সেবা দিয়েছেন। আল্লাহ তাকে আরও ভালো রাখুন।
ডা. ফরিদ এইচ খানও মানুষের প্রতি নিজের মানবিক দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে বলেন- “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের আসল কাজ। গ্রামাঞ্চলের মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে কষ্ট পায়, আমি যতটুকু পারি, তাদের পাশে থাকতে চাই।
রাণীনগর ইয়ুথ অর্গানাইজেশন জানায়, “আমরা গর্বিত যে আমাদের ক্যাম্পে এমন একজন সুনামধন্য চিকিৎসক সেবাদান করেছেন। মানুষের মুখে হাসি দেখতে পারাই আমাদের সাফল্য।
পুরো ক্যাম্পজুড়ে ছিল রোগীদের ভিড়, স্বেচ্ছাসেবকদের দৌড়ঝাঁপ আর মানবিকতার উষ্ণ ছোঁয়া। গ্রামবাসীর মুখে ডা. ফরিদের জন্য একটাই কথা - তিনি শুধু ডাক্তার নন, আমাদের আশীর্বাদ।
আব্দুল্লাহ আল মাহীদ